|
জাপানে বসবাসকারী বিদেশিদের রেসিডেন্স কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে
সাথেই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হচ্ছে, এমনকি বৈধভাবে নবায়নের
সময়েও

কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপানের ব্যাংকগুলো বৈধভাবে
বসবাসরত কিছু বিদেশিকে তাদের নিজেদের টাকা তুলতে দিচ্ছে না।
এর কারণ জাপানে তাদের
বসবাসের আইনি অধিকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া নয়।
বরং এর কারণ হলো তাদের
মানিব্যাগে থাকা প্লাস্টিক কার্ডটির (রেসিডেন্স কার্ড) মেয়াদ শেষ হয়ে
যাওয়া।
নিবন্ধিত রেসিডেন্স কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে
গেলে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ বা 'ফ্রিজ' করে দিতে
পারে—যার ফলে এটিএম থেকে টাকা তোলা, অর্থ স্থানান্তর বা স্বয়ংক্রিয় বিল
পরিশোধের মতো সব সুবিধাই বন্ধ হয়ে যায়।
এমন ঘটনা তাদের ক্ষেত্রেও
ঘটতে পারে যারা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই নবায়নের আবেদন করেছেন এবং
'ইমিগ্রেশন কন্ট্রোল অ্যাক্ট' বা অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রদত্ত
দুই মাসের 'গ্রেস পিরিয়ড' বা অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা নিয়ে বৈধভাবে দেশটিতে
অবস্থান করছেন।
দেশে ফিরে যাওয়া ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া
অ্যাকাউন্টগুলো বিভিন্ন প্রতারক চক্র কিনে নিতে শুরু করার পর, ন্যাশনাল
পুলিশ এজেন্সি ব্যাংকগুলোকে বিদেশি অ্যাকাউন্টধারীদের বর্তমান অবস্থা যাচাই
করার নির্দেশ দেয়।
ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এজেন্সি ২০২৫ সালে এই
অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা ফ্রিজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কিছু ব্যাংক রেসিডেন্স
কার্ডের পেছনের অংশে থাকা "আবেদন প্রক্রিয়াধীন" (application pending)-এর
সিল বা স্ট্যাম্পটি গ্রহণ করে এবং অ্যাকাউন্টটি সচল রাখে।
আবার অন্য কিছু ব্যাংক তা
গ্রহণ করতে অস্বীকার করে।
একজন বাসিন্দা বর্ণনা
করেছেন কীভাবে সপ্তাহান্তের ছুটির দিনগুলোতে পকেটে মাত্র ২,০০০ ইয়েন নিয়ে
তিনি ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।
আরেকজন জানিয়েছেন যে, তার
কার্ডের মেয়াদ মে মাসে শেষ হলেও নবায়ন প্রক্রিয়াটি মার্চ থেকে জুলাই মাস
পর্যন্ত চলেছিল।
একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন যে, তার যেসব সহপাঠীর
কার্ডের মেয়াদ জুন মাসে শেষ হয়েছে, তারা নবায়নের অপেক্ষায় থাকার সময় চাকরি
হারাচ্ছেন। জাপান ইনসাইড।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|