|   প্রথমপাতা  |  প্রকাশের তারিখঃ 水曜日, 10月 07, 2026 15:20 |

 

জাপানের আইনপ্রণেতা মিজুহো বলেছেন, আর কোনো মুসলিম কবরস্থানের প্রয়োজন নেই, যারা দাফন চান, তারা মরদেহ নিজ খরচে বিমানে করে দেশে নিন

 

কমিউনিটি রিপোর্ট ।।

জাপানে আনুমানিক ৪ লাখ ২০ হাজার মুসলিম বসবাস করেন এবং ইসলামি রীতি অনুযায়ী মৃতদেহ দাফন করার বিধান রয়েছে। অথচ ২০২৪ অর্থবছরে জাপানে মৃতদের মধ্যে ৯৯.৯৮ শতাংশেরই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে শবদাহ বা দাহ করার মাধ্যমে।

দেশটিতে দাফন আইনত বৈধ হলেও মুসলিমদের জন্য কবরস্থান তৈরির পরিকল্পনা বারবার থমকে যাচ্ছে; যেমন—ওইতা প্রিফেকচারের হিজি শহরের নবনির্বাচিত মেয়র (২০২৪ সালে নির্বাচিত) কবরস্থানের জন্য শহরের জমি বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান এবং মিয়াগি প্রিফেকচারের গভর্নরও ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অনুরূপ একটি পরিকল্পনা বাতিল করেন।

২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর, 'জাপানিজ ফার্স্ট' মতাদর্শী দল 'সানসেইতো'-র উচ্চকক্ষের সদস্য মিজুহো উমেমুরা পার্লামেন্টারি কমিটিকে বলেন যে, জাপানে আর কোনো কবরস্থানের প্রয়োজন নেই। তিনি নীতিগতভাবে দাফন নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, জাপানে প্রবেশের আগেই বিদেশিদের এ বিষয়ে সম্মত হতে হবে যে—মৃত্যুর পর তাদের মরদেহ দাহ করা হবে অথবা নিজ খরচে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এ সময় তিনি প্রাক্তন সম্রাট আকিহিতোর শবদাহ হওয়ার ইচ্ছার প্রসঙ্গটিও টেনে আনেন, যার ফলে রাজপরিবারকে রাজনীতির সাথে জড়ানোর কারণে তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেনিচিরো উয়েনো জানান, দাফন প্রক্রিয়ার কারণে জনস্বাস্থ্যের কোনো ঝুঁকি বা সমস্যা সরকারের নজরে আসেনি এবং এটি নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনাও তাদের নেই; বরং বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে সরকার দেশের ১২৯টি প্রিফেকচার ও প্রধান শহরে কবরস্থান-সংক্রান্ত নিয়মকানুন ও দাফন প্রথা নিয়ে জরিপ কার্যক্রম শুরু করে।

 

 

WARNING: Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

 

[প্রথমপাতা]