|
চিকিৎসাধীন অসহায় প্রবাসীকে মানবিক সহযোগিতা ও দুজন প্রবীন প্রবাসীকে
সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে “উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি জাপান” এর যাত্রা শুরু

কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপানে বসবাসরত
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার প্রবাসীদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো
‘উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপান’। প্রায় ৬৫০ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে
সংগঠনটির অভিষেক অনুষ্ঠান।
৪ অক্টোবর জাপানের
সাইতামা'র একটি হল (মিসাতো-সি তাকানো বুনকা সেন্টার)-এ দিনব্যাপী আয়োজনে
আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক হয় “উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানের”।
সংগঠনটির সভাপতি
প্রফেসর ডক্টর জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জি মোস্তাফা এর
নেতৃত্বে মুনশী রোকেয়া সুলতানা, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী ইনসানুল হক,বিমান
পোদ্দার,আজগর আহমেদ সানি,ডক্টর মো আব্দুস সামাদ কামালকে নিয়ে উপদেস্টা
মন্ডলী, মো মিজানুর রহমান শাহীন ও আবু সালেহ মোহাম্মাদ জিনিয়াসকে সহ-সভাপতি
ও ১০ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং প্রতি জেলা থেকে দুইজন করে সাংগঠনিক
সদস্যসহ মোট ৪২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন
পর্ব সঞ্চালনা করেন ববিতা পোদ্দার, হুমাইরা আমির নিশিত, শোমা রুমানা ও
লাবণ্য আলম।
প্রথম পর্বে বিদেশের মাটিতে দেশীয় সুস্বাদু
খাবার পরিবেশনার পর দ্বিতীয় পর্বে কোরআন তেলাওয়াত ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ
পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় ছোটদের উন্মুক্ত পারফরম্যান্স। এরপর জাতীয় সংগীত
গাওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় আনুষ্ঠানিক অভিষেক পর্ব। এ সময় কমিটির
সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং উন্মোচন করা হয় সংগঠনের লোগো।
অনুষ্ঠানে জাপানে
বসবাসরত উত্তরবঙ্গের গুণীজন এবং বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত
থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে জাপানের
প্রবীণ দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনাব জিয়াউল হক এবং ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর
রহমানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এনারা দূজনই উচ্চশিক্ষা বৃত্তি নিয়ে প্রায়
৬৪ বছর আগে জাপানে আসেন এবং পরে জাপানে স্থায়ী
হন। জনাব রহমান আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাপানীদের
মাঝে জনমত সংগ্রহে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
জনাব জিয়াউল হক জাপানের
মুলধাকা ব্যাবসায়ে নিজেকে নিয়োজিত করেন এবং বাংলাদেশে জাপানের ব্যাবসা
সম্প্রসারনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
পাবনার এক সদস্যকে উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি জাপানের সদস্যদের দেয়া দূই লক্ষ
ইয়েন ও একই সুত্রে অন্য স্থান থেকেও সমপরিমান অর্থ মানবিক সহায়তা দেয়া হয়।
সবশেষে ছিল বর্ণাঢ্য
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে উত্তরবঙ্গ সংস্কৃতির গান, নৃত্য, গম্ভীরা, কবিতা
আবৃত্তি, ভাওয়াইয়া গান ও মঞ্চ পরিবেশনা সহ বিভিন্ন আয়োজন ছিল।
আয়োজকদের প্রত্যাশা,
জাপানে বসবাসরত উত্তরবঙ্গের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে পারস্পরিক সহযোগিতা,
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করা ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের
উন্নয়ন করা।
উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির
বন্ধনকে জাপানের মাটিতে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে
উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপান।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|